
মহাস্থানগড় দুর্গ
প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের সুরক্ষিত হৃদয়—শহর থেকে ১২ কিমি উত্তরে দেয়াল, মন্দির ও চমৎকার সংগ্রহের জাদুঘর।

ঐতিহ্য
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগর পুণ্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ বগুড়ার বুকেই—যেখানে ইতিহাসের সঙ্গে মিশেছে সাম্রাজ্য, বিশ্বাস ও কিংবদন্তি।
কালরেখা
বগুড়ার ইতিহাসের সংক্ষিপ্ত পথচলা।
খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক
মৌর্য সাম্রাজ্য করতোয়ার তীরে পুণ্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুণ্ড্রনগর প্রতিষ্ঠা করে। বাংলাদেশের প্রাচীনতম লিখিত নিদর্শন—মহাস্থান ব্রাহ্মী শিলালিপি—এ যুগেরই।
৪র্থ–৮ম শতাব্দী
বৌদ্ধ বিহার সমৃদ্ধ হয়। ভাসু বিহার হয়ে ওঠে জ্ঞানচর্চার কেন্দ্র—৭ম শতকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং এখানে আসেন।
১২শ–১৫শ শতাব্দী
গোকুল মেধের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বেহুলা-লক্ষ্মীন্দরের কাহিনী। সুফি সাধক শাহ সুলতান বলখী মাহিসওয়ার আসেন, মহাস্থান হয়ে ওঠে তীর্থস্থান।
১৯শ–২০শ শতাব্দী
বগুড়া জেলা সদর হিসেবে বিকশিত হয়। নবাব আবদুস সোবহান চৌধুরীর প্রাসাদ, স্কুল ও নাগরিক প্রতিষ্ঠান আধুনিক শহর গড়ে তোলে।
আজ
মহাস্থানগড় ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যের অস্থায়ী তালিকায় রয়েছে। প্রত্নতাত্ত্বিকরা এখনও প্রতি মৌসুমে নতুন স্তর আবিষ্কার করছেন।
অবশ্য দর্শনীয়

প্রাচীন পুণ্ড্রনগরের সুরক্ষিত হৃদয়—শহর থেকে ১২ কিমি উত্তরে দেয়াল, মন্দির ও চমৎকার সংগ্রহের জাদুঘর।

১৭২টি কক্ষবিশিষ্ট সোপান-আকৃতির স্থাপনা, লোকমুখে বেহুলার বাসর ঘর—বাংলার প্রিয়তম কিংবদন্তির সঙ্গে জড়িত।

১৯শ শতকে নির্মিত বগুড়ার নবাবদের বাসভবন—শহরের ঔপনিবেশিক যুগের গৌরবের কোমল স্মারক।
যুক্ত থাকুন
নতুন গল্প, ভ্রমণ গাইড, অনুষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ নগর তথ্য ইমেইলে পান।