
বগুড়ার দই
শহরের মুকুট—মাটির পাত্রে ধীরে জমাট বাঁধা মিষ্টি দই, ক্যারামেল রঙ ও রেশমি টেক্সচারে অতুলনীয়। এখন বাংলাদেশের জিআই পণ্য।

খাবার
যে দই বগুড়াকে উপমহাদেশজুড়ে বিখ্যাত করেছে, সেখান থেকে সাতমাথার রাস্তার খাবার—বগুড়া প্রকৃত অর্থেই খাদ্যরসিকের শহর।
অবশ্যপাঠ্য
চারটি অভিজ্ঞতা—যা মিস করা যাবে না।

শহরের মুকুট—মাটির পাত্রে ধীরে জমাট বাঁধা মিষ্টি দই, ক্যারামেল রঙ ও রেশমি টেক্সচারে অতুলনীয়। এখন বাংলাদেশের জিআই পণ্য।

মহাস্থানের দরগার আশপাশে বংশপরম্পরায় বিক্রি হওয়া গুড়ে চকচকে মচমচে বিস্কুট—তীর্থযাত্রীদের চিরচেনা স্বাদ।

সন্ধ্যা নামলেই সাতমাথা ভরে ওঠে ফুচকা, চটপটি, কাবাব আর ধোঁয়া ওঠা দুধ চায়ের কাপে।

নতুন প্রজন্মের ক্যাফে দিচ্ছে পড়াশোনা, কাজ ও দীর্ঘ আড্ডার তৃতীয় ঠিকানা।
দইয়ের গল্প
১৯০০-এর দশকের গোড়ায় শেরপুরের মিষ্টিকারিগররা মাটির পাত্রে ধীর ফার্মেন্টেশন আয়ত্ত করেন—যা দুধকে রেশমে রূপ দেয়। রাজদরবারে উপহার আর প্রবাসী বাঙালির ব্যাগে চেপে বগুড়ার দই হয়ে ওঠে শহরের প্রতিশব্দ। ২০২৩ সালে এটি পায় জিআই স্বীকৃতি—যা প্রতিটি বাঙালি অনেক আগেই জেনে গিয়েছিল।
যুক্ত থাকুন
নতুন গল্প, ভ্রমণ গাইড, অনুষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ নগর তথ্য ইমেইলে পান।